২রা আষাঢ়, ১৪৩১| ১৬ই জুন, ২০২৪| ৯ই জিলহজ, ১৪৪৫| সকাল ৯:৩৮| বর্ষাকাল|

বঙ্গবন্ধু আজও বিকল্পহীন আশ্রয়

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪
  • ১৯ Time View

অমিত রায় চৌধুরী :

বাংলার এ মাটি সম্পদের প্রাচুর্যে ঐশ্বর্যশালী না হলেও, মননশীল নৈপুণ্যে বরাবরই উচ্চকিত। শারীরিক গঠন সমসত্ত্বের ইঙ্গিত দিলেও নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ে বাঙালি জাতি অবিমিশ্র নয়। ভাষায়ও বহমান বৈচিত্র্যের মিশ্রধারা। মানসিক আদলেও প্রতিফলিত কোমল এবং কাঠিন্যের যুগ্ম সাযুজ্য। হাজার বছরের পথচলায় বাঙালি কখনো আত্মপরিচয়ের সংকটে পড়েনি। বরং বিরূপ পরিবেশ আর বৈরী প্রকৃতিকে সামলে দিয়ে এ জনগোষ্ঠী তার সক্ষমতাকেই প্রমাণ করেছে বারবার। সভ্যতার বিবর্তনে মানুষের সমষ্টি চেতনা যেমন নির্ণায়ক হয়েছে, ঠিক তেমনই আঞ্চলিক পরিসরে বঙ্গবন্ধু, রবীন্দ্রনাথ, নেতাজী কিংবা স্বামী বিবেকানন্দের মতো বিপুলায়তন ব্যক্তিত্বের আলোক সংশ্লেষ এ জনপদের শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি তথা সমাজ-মননকে ক্রমাগত ঋদ্ধ করেছে। তবে সমাজের গতিপথকে পাল্টে দিয়ে একটি আধুনিক জাতিসত্তা নির্মাণের মতো ইতিহাস নির্ধারণী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সারা বিশ্বের ৩০ কোটি বাঙালির চেতনায় কেবলই শুধু অবিনাশী সত্তা হিসেবে নয়, তার রাজনৈতিক দর্শন প্রতিটি বাঙালির কাছে আজও একটি বিকল্পহীন আশ্রয় হিসেবে সমাদৃত।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জন্ম তার টুঙ্গিপাড়ায়। ছায়া সুনিবিড়, শস্য-শ্যামল, সবুজ আচ্ছাদিত প্রত্যন্ত গ্রাম- যা আজ বিশ্ব বাংলার তীর্থভূমিতে পরিণত। বঙ্গবন্ধুর বিশাল ব্যক্তিত্ব ও চরিত্রের অন্তর্গত গড়নও বোধ হয় এ অনাবৃত প্রকৃতির মতোই শুদ্ধ, সূচিস্নিগ্ধ। প্রকৃতি যেমন অকপট সহজ, সরল, বিপুল ও উদার। আবার ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংকল্পে সে প্রকৃতিই হয়ে ওঠে রুদ্র, তীব্র, বিধ্বংসী। বঙ্গবন্ধু এমনই এক আবহমান বাংলার প্রতীকী চরিত্র। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সুসজ্জিত পাকিস্তানি সেনার সামনে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুই বলতে পারেন- ‘আর যদি একটা গুলি চলে, আমার লোকের ওপর হত্যা করা হয়, তোমাদের কাছে অনুরোধ রইল- প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল।’ আবার ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি লাখো জনতার সামনে দাঁড়িয়ে মুক্ত দেশের মাটিতে আবেগাপ্লুত বঙ্গবন্ধু বলে ওঠেন-‘কবিগুরু তুমি এসে দেখে যাও বাঙালি আজ মানুষ হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধুর সততা, সাহস ও দেশপ্রেম অসহায় মানুষের ভরসার জায়গা মজবুত করেছিল। বাঙালি হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর স্পন্দন শুধু ক্যারিশমানির্ভর নয়, এর অধিষ্ঠান ছিল সুদৃঢ় দার্শনিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। সহজাত প্রবৃত্তির তাড়নায় বাঙালি অনুভব করেছিল একটি শোষণমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধুর কোনো বিকল্প নেই। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে একটি সুসজ্জিত বাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতা তাই এতটুকু দ্বিধা করেনি। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি কারাগারে থেকেও সাড়ে সাত কোটি বাঙালির নেপথ্য শক্তির ভরকেন্দ্রে পরিণত হয়েছিলেন। বিশ্ব হতবাক হয়ে দেখেছিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নেতার বিমূর্ত উপস্থিতি কতটা তেজোদীপ্ত, কতটা নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে।

গণতন্ত্র বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। তিনি জানতেন সমাজ কাঠামোয় পরিবর্তন আনতে না পারলে গণতন্ত্রের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছবে না। তাই তিনি সমাজতন্ত্রের কথা ভেবেছিলেন। গণতন্ত্র মানে শুধু নির্বাচন নয়। একদিনের ভোটাধিকার প্রয়োগে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় না। সে জন্য প্রয়োজন পড়ে আর্থসামাজিক কাঠামোতে বৈপ্লবিক সংস্কার। যাতে ধনী আরও ধনী, গরিব আরও গরিব না হয়। দেশের সম্পদ লুটেরাদের কাছে কুক্ষিগত না হয়। সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত হয়। সে জন্যই তিনি একটি ন্যায়ভিত্তিক সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার সংকল্প নিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু জানতেন ভৌগোলিক স্বাধীনতা আর অর্থনৈতিক মুক্তি এক কথা নয়। সমাজের অভ্যন্তরে বিদ্যমান বিভাজনের প্রচ্ছন্ন ধারাগুলোকে বঙ্গবন্ধু আমজনতার কাছে স্পষ্ট করে তুলতে পেরেছিলেন। তিনি রাশিয়া-চীনের মতো সমাজতন্ত্র চাননি। বাংলার চিরকালীনতার সঙ্গে মানানসই ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য ভিন্ন ধারার দার্শনিক পথের সন্ধান দিয়েছিলেন। তারুণ্যকে মানসম্মত সম্পদে পরিণত করতে তিনি শিক্ষাকে সুযোগ নয়, অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবাকে তিনি নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। গরিব মানুষ যাতে মানসম্মত শিক্ষা পায়, স্বাস্থ্যসেবা পায় সে জন্য তিনি রাষ্ট্রীয় সেবার পরিধিকে বিস্তৃত করেছিলেন। তিনি প্রকৃতই ছিলেন মেহনতি খেটে খাওয়া মানুষের বন্ধু। এদের ভাগ্য পরিবর্তনের পথে তিনি বাধা মনে করেছিলেন বিদ্যমান আর্থসামাজিক ব্যবস্থা ও তার অনিবার্য পরিণতি সর্বগ্রাসী দুর্নীতি। তিনি প্রকাশ্যে বলতেন- আমার খেটে খাওয়া মানুষ দুর্নীতি করে না। জামা-কাপড় পরা সাহেবরাই চুরি করে।

সুবিধাভোগী এ কায়েমি গোষ্ঠীকে প্রবল কটাক্ষ করে তিনি বলেছিলেন- তোমাদের ডাক্তার বানায় কে, ইঞ্জিনিয়ার বানায় কে, অফিসার বানায় কে- মনে রাখবা, আমার গরিব দুঃখী মানুষের টাকায় তোমরা অফিসার হয়েছো, সেটা শুধু তোমার বা তোমার পরিবারের জন্য নয়, তোমাদের দায় আছে এ দেশের মানুষের কাছে, যাদের টাকায় তোমরা আজ প্রতিষ্ঠিত। ভুলে যেও না- এরাই তোমাদের মালিক, এদের টাকায় তোমাদের বেতন হয়। তাদের ইজ্জত দিয়ে কথা বলবা, সম্মান করবা। এমন অকপট উক্তি, এত সাহসী সত্য কথা- এত সহজ করে কোনো নেতা কখনো বলেছিলেন কিনা জানা নেই। বঙ্গবন্ধু রবীন্দ্রনাথ পড়তেন, নজরুল পড়তেন। রবীন্দ্রনাথ ছিল তাঁর মগজে। সংকটের কল্পনায় তিনি ম্রিয়মাণ না হতে বাঙালিকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। তিনি বাংলা মাকে আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন- আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে, তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে ধরতে জানি- প্রতিবাদ করতে জানি। নজরুল ছিল তাঁর হৃদয়ে। তিনি শিকল দিয়েই শিকল ওদের বিকল করতে চেয়েছিলেন। নিপীড়িত মানুষকে শৃঙ্খলমুক্ত করার জন্য, ঐক্যবদ্ধ করার জন্য এমন আবেগস্পর্শী ভাষায় আর কোনো বিশ্বনেতা এভাবে আহ্বান রেখে যেতে পেরেছিলেন কিনা জানা নেই। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আজ বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ; যা মূলত বাঙালির মুক্তির সনদ, বিশ্বের শোষিত মানুষের মুক্তির ছাড়পত্র।

একথা ঠিক, দ্বিজাতিতত্ত্বের ওপর ভর করে ’৪৭-এর দেশভাগে বঙ্গবন্ধুর সমর্থন ছিল। একজন আপাদমস্তক অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল রাজনীতিক কেন ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রগঠনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন- এ প্রশ্নটিও ভবিষ্যতে ইতিহাসের ছাত্রকে কৌতূহলী করবে। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, তদানীন্তন ঔপনিবেশিক শাসনের কূটকৌশল ও জটিল আর্থসামাজিক রাজনৈতিক কাঠামোতে খানিকটা পিছিয়ে পড়া মুসলিম জনগোষ্ঠী নানারকম বৈষম্যের সম্মুখীন হচ্ছে- এমন ধারণা দৃঢ়মূল হতে থাকে। ফলে, নাগরিক অধিকার ভোগের ক্ষেত্রে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক অনৈক্য, বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হয়ে যায়। সাম্প্রদায়িক অসহিষ্ণুতার বীজও কার্যত তখনই জনমনে অঙ্কুরিত হতে শুরু করে। ইতিহাসের এমনই একটি অবাঞ্ছিত বাঁকে ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগের ফলে দরিদ্র মুসলিম অধ্যুষিত পূর্ব বাংলার জনসাধারণ স্বাধীনতার সুফল লাভ করবে- এমন সরল প্রত্যাশাই হয়তো বঙ্গবন্ধু ও তৎকালীন বাঙালি নেতৃত্বকে পাকিস্তান আন্দোলনের পক্ষে জোটবদ্ধ করেছিল। কিন্তু দেশভাগের পর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নতুন খোলসে ঔপনিবেশিক শোষণের অভিসন্ধি বঙ্গবন্ধুকে হতাশ ও বিচলিত করে তোলে।

পাকিস্তান আন্দোলনে বৃহত্তর ভূমিকা, সংখ্যানুপাতিক শ্রেষ্ঠত্ব ও বিভিন্ন মানদন্ডে অগ্রগামী থাকা সত্ত্বেও বাঙালিদের প্রতি পাকিস্তানি শাসকদের আধিপত্যকামী দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার জন্য বঙ্গবন্ধুকে বেশি সময় নিতে হয়নি। ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। ভাষার গর্ভেই বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রের পদধ্বনি শুনতে পান। বায়ান্নর পর একাত্তর। ফেব্রুয়ারির পর আসে মার্চ। সময়সারণিতে দুটি পর্বের এ শুধু কাকতালীয় পারম্পর্য নয়, যুক্তিবদ্ধতায়ও তা গ্রাহ্য, প্রতিষ্ঠিত। বঙ্গবন্ধুর অসম সাহস, ত্যাগ, অন্তর্দৃষ্টি ও সম্মোহনী সাংগঠনিক প্রজ্ঞা ’৫২-র একুশ থেকে বাঙালিকে পৌঁছে দেয় ’৭১-র ১৬ ডিসেম্বরে মুক্তির স্বপ্নসৌধে। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মতে- বঙ্গবন্ধু বুঝেছিলেন ধর্মনিরপেক্ষ ভাবনা ও সমতার আদর্শ ছাড়া মজবুত রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব নয়। এমন মূল্যবোধ ছাড়া যদি রাষ্ট্র গঠনের চেষ্টা হয়, তবে তা ব্যর্থ হবে। দুর্বল হবে ব্যবস্থা। ভাষা-সংস্কৃতির ওপর আক্রমণই পাকিস্তানের জন্য কাল হয়েছিল। চাপিয়ে দেওয়া ভাষা,সংস্কৃতি ও সংবিধান অন্য ভাষাগোষ্ঠী মেনে নেয় না। তাদের ভিন্নতা, রুচি আলাদা ব্যবহারিক জীবন তাকে প্রতিরোধ করে।

পাকিস্তানের অন্ধ কারাগারে পাকিস্তানি হায়েনারা তাকে হত্যা করতে সাহস পায়নি। তিনি মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে সদর্পে বলেছিলেন- আমি মানুষ, আমি বাঙালি, আমি মুসলমান- মুসলমান একবারই মরে, বারবার নয়। কোনো চাপ, মৃত্যু ভয়- কোনো কিছুই তাঁকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করতে পারেনি। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস। বাংলার কিছু বিপথগামী নরঘাতকের হাতেই ইতিহাসের এ মহানায়কের রক্ত ঝরেছিল।

মানব ইতিহাসের জঘন্যতম এ হত্যাকান্ডের ‘মোটিভ’ নিয়ে নানামুখী বিশ্লেষণ জারি থাকবে আরও অনেককাল। দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র নিয়ে আলোচনা চলবে। আবার কালের প্রবাহে কিছু বিষয় হয়তো গুরুত্বপূর্র্ণ হয়ে উঠবে। পরাজিত শক্তিকে ক্ষমা করা বা তাদের প্রতি ঔদার্য, মানবতা প্রদর্শন নিঃসন্দেহে বঙ্গবন্ধুর মহৎ দর্শনের বিরল মাধুর্য; ইতিহাসবোধ থেকেই সৃষ্টি হয় অন্তর্দৃষ্টি। আর ইতিহাসের নির্মম শিক্ষা হলোÑ এ মহানুভবতা খলনায়কদের নিষ্ঠুর প্রত্যাঘাত থেকে মহামানবকে রক্ষা করতে পারেনি। আরও একটি বিষয় দীর্ঘকাল অনুসন্ধানী ভাবনার উপজীব্য হতে পারে তা হলো- বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের পর নজিরবিহীন নীরবতা, ব্যাখ্যাতীত নিষ্ক্রিয়তা।

এও ঠিক যে, রাজনীতির মূল স্রোতে থেকেও অনেকে বাংলাদেশের অভ্যুদয়কে মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে আজও দ্বিধাগ্রস্ত। তবে অস্বীকারের সুযোগ নেই বঙ্গবন্ধুর নৈতিক, আদর্শগত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নের দায় অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তির ওপর বর্তায়। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি মানেই ভোগের বিরুদ্ধে ত্যাগ, বিভাজনের বিপরীতে অন্তর্ভুক্তি, শোষণের বিরুদ্ধে সুশাসনের প্রতিশ্রুতি। বঙ্গবন্ধুর এই প্রজ্ঞা ও নেতৃত্ব মুক্তিযুদ্ধের সাফল্যের চাবিকাঠি। সমাজ মানসে শুদ্ধ রাজনৈতিক মূল্যবোধ যেন কোনোভাবেই ক্ষয়িষ্ণু হয়ে না পড়ে, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে রাজনীতি যেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ক্রমশ উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়ে ওঠে এই আমাদের প্রত্যাশা।

লেখক : অধ্যাপক, ট্রেজারার

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category