২রা আষাঢ়, ১৪৩১| ১৬ই জুন, ২০২৪| ৯ই জিলহজ, ১৪৪৫| সকাল ৮:০৫| বর্ষাকাল|

শ্রীপুরে স্বামীর ফার্মেসীতে মিললো নারীর গলাকাটা মরদেহ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪
  • ১৪ Time View

 শ্রীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামীর ফার্মেসীর ভেতর থেকে নারী গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামের ক্যাপ্টেন সিএনজি’র পাশের একটি ফার্মেসী থেকে স্থানীয়দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই নারী মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এঘটনার পর থেকে স্বামীর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

নিহত রেহেনা আক্তার (২৭) গোপালগঞ্জের ইদ্রিস আলী ভুইয়ার মেয়ে। স্বামী কিবরিয়া (৪০) তার বাড়ি নড়াইল বলে জানা গেছে। তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় বছর খানেক যাবত স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীপুরের মুলাইদ গ্রামের মোস্তফা কামালের বাড়িতে ভাড়া থেকে তারই মালিকানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে ঔষধসহ মোবাইল ব্যাংকিং ও রিচার্জের ব্যবসা পরিচালনা করতো। ৪মাস আগে মোস্তফার ভাড়া বাড়ি ছেড়ে দিয়ে স্ত্রী রেহেনাকে গ্রামে পাঠিয়ে দেয় এবং কিবরিয়া দোকানের বসবাস শুরু করে। ৩দিন আগে রেহেনা বাড়ি থেকে আসে এবং স্বামী-স্ত্রী দুজনই দোকানে বসবাস শুরু করে। শুক্রবার সকাল থেকে দোকান বন্ধ দেখতে পায়। সন্ধ্যার দিকে পাশের অপর দোকানদার সোহেল মোবাইল রিচার্জ করতে দোকানে যায়। দোকানে সামনে দাঁড়িয়ে ভেতরে আলো জ্বালানো অবস্থায় দোকান বন্ধ দেখতে পেয়ে ভেতরে উকি দিয়ে মেঝে এক নারীকে শুয়ে থাকতে দেখে। সারাদিন দোকান বন্ধ অবস্থায় ভেতরে নারীকে দেখতে পেয়ে বিষয়টি সন্দেহ হয় তার। তাৎক্ষণিক ভাবে ঘটনাটি মার্কেট মালিক মোস্তফাকে জানালে ঘটনাস্থলে এসে মোস্তফা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দোকানের তালা ভেঙ্গে দোকানের মেঝেতে রেহেনার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বঁটি দিয়ে গলাকেটে ওই নারীকে হত্যা করেছেন তাঁর স্বামী কিবরিয়া। হত্যার পর মরদেহ দোকানের ভেতর ফেলে বাইরে থেকে শাটারে তালা দিয়ে কিবরিয়া পালিয়ে যান। ওই নারীর স্বামীকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে। তাকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞসাবাদ করলেই বিস্তারিত জানা যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category